হোন্ডার মোটর সাইকেল এখন মাত্র ৮৯ হাজার টাকায়

292

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ডিজাইন করা মোটরসাইকেল হোন্ডা ড্রিম ১১০ মডেলের যাত্রা শুরু হয়েছে। বুধবার দুপুর পৌনে একটার দিকে গজারিয়া উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিতে আধুনিক ও সাশ্রয়ী এ মোটরসাইকেলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। হোন্ডা কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিমিহিকো ক্যাটসুকি উপস্থিত থেকে এর উদ্বোধন করেন।
বাংলাদেশের মানুষের দৈনিক খরচের কথা চিন্তাই রেখে মাত্র ৮৯ হাজার ৯০০ টাকায় বাংলাদেশের সবচেয়ে সাশ্রয়ী মোটরসাইকেলটি যাত্রা শুরু করেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ড্রিম ১১০ মডেল মোটর সাইকেলেটি শুধুমাত্র মানুষের সুবিধার কথা বিবেচনা করে তৈরি করা হয়েছে। প্রতি লিটার তেলে ৭৪ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করবে এ বাইকটি।
বাইকের ডিজাইন, আকর্ষণীয় গ্রাফিক্স, ক্রোম মাফলার কভার, অ্যালুমিনিয়ামের রেল এবং কালো খাঁজকাটা চাকাসহ আধুনিক নকশার কারণে অন্য সকল মোটরসাইকেল থেকে এটি সম্প‚র্ণ আলাদা। ২০১৬ সালে বাংলাদেশে এই মানের মোটর সাইকেলের ম‚ল্য ছিল ১ লাখ ৪৯ হাজার টাকা। হোন্ডার নিজেস্ব ফ্যাক্ট্যরিতে এর উৎপাদন হওয়ায় মাত্র ড্রিম ১১০ মডেল ৮৯ হাজার ৯০০ টাকায় পাওয়া যাবে। ১২৮৫ এমএম দীর্ঘ হুইলবেস বাইকটিকে স্থিতিশীল করে তোলে।
মোটরসাইকেলটি বাংলাদেশের সব ধরনের পথে চলাচলের উপযোগী। উদ্বোধনের পর থেকে হোন্ডার যেকোন শোরুমে মোটরসাইকেল পাওয়া যাবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, হোন্ডা কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিমিহিকো ক্যাটসুকি, জেষ্ঠ্য সহসভাপতি নরেশ কুমার রতন, প্রধান উৎপাদন কর্মকর্তা শোয়েচি সাতেহ,অর্থ ও বানিজ্য কর্মকর্তা শাহ মুহাম্মদ আশেকুর রহমান। এর আগে বাংলাদেশের মানুষকে সাশ্রয়ী ম‚ল্যে ভাল মানের পণ্য সরবরাহ করতে হোন্ডা মোটরসাইকেলের সহায়ক সংস্থা বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড (বিএইচএল)।
২০১৩ সালে ঢাকার গাজীপুরে একটি ভাড়া নেওয়া কারখানায় হোন্ডা সিকেডি মোটরসাইকেল সংযোজন শুরু করে। হোন্ডা সিডিআই ছিল প্রথম উৎপাদিত মডেল। প্রথম বছরে মাত্র ৬৬ টি হোন্ডা উৎপাদন হয়। যেগুলো হোন্ডা ডিলার পয়েন্টে বিক্রি করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিমিহিকো কাতসুকি বলেছেন, সার্বিকভাবে দুই লক্ষ ইউনিট উৎপাদন কেবল হোন্ডার মোটরসাইকেলের কার্যক্রমের জন্য বাংলাদেশ একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক নয়, বরং এটি দেখায় যে বিএইচএল চমৎকার ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলেছে। আমাদের পরবর্তী মাইলফলকের দিকে এগিয়ে যেতে আমরা খুব ভালো মানের পণ্য এবং দুর্দান্ত সেবা অব্যাহত রাখব। যা গ্রাহকদের প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে যাবে।
এসময় তিনি দেশব্যাপী সকল ডিলারকে তাদের কঠোর পরিশ্রম এবং বিএইচএলের সাথে নতুন মাইলফলক ছুঁতে অনবরত প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছে। তিনি আরো বলেন, হোন্ডা সাশ্রয়ী ম‚ল্যে সবচেয়ে ভালো মানের পণ্য সরবরাহের মাধ্যমে সমাজের প্রতি অবদান রাখবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে আনন্দ ও যাতায়াতের স্বাধীনতা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ ধরনের প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিএইচএল এমন একটি প্রতিষ্ঠান হতে সচেষ্ট, যেমনটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। আরো এগিয়ে যাওয়ার তাগিদে প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের সন্তুষ্টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই মিশন প‚রণ করতে অনেক নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে প্রস্তুত।#