আজ ১লা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ :

মুন্সীগঞ্জে রথযাত্রায় মানুষের ঢল

স্টাফ রিপোর্টারঃ
মুন্সীগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সনাতন সম্প্রদায়ের শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রথযাত্রা উপলক্ষে শহরে হাজারো মানুষের ঢল নামে। শুক্রবার বিকেলে ইদ্রাকপুর ল²ীনারায়ণ জিউর মন্দির, বাগমামুদালীপাড়া পূজা মন্দির, হরেকৃষ্ণ নামহট্ট সংঘ বাগমামুদালীপাড়া শীতলা মন্দির ও মালপাড়া ইসকনের উদ্যোগে একই সময়ে রথযাত্রা বের করা হয়। চারটি রথযাত্রা কেন্দ্রীয় জয়কালীমাতা মন্দিরে একত্রিত হয়। রথযাত্রা উৎসবের উদ্বোধন করেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস।

এসময় জয়কালীমাতা মন্দির প্রাঙ্গণে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় তিনি বলেন, রথযাত্রা উৎসব এখন সকল ধর্ম-বর্ণের মিলনের উৎসবে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মিলনতীর্থ মুন্সীগঞ্জে ঈদ-রথযাত্রা একই সময়ে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ একসাথে পালন করছে, এটা আমাদের জন্য সুসংবাদ।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সমর কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক বাসুদেব নাগের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নবীন কুমার রায়, সহ-সভাপতি পবিত্র সংকর চ্যাটার্জী কাজল, সহ-সভাপতি অভিজিৎ দাস ববি, সহ-ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক উত্তম কুমার বণিক, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ননী গোপাল হালদার, কার্যকরী সদস্য রঞ্জন কুমার সাহা। এসময় অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা তপন, পৌর কাউন্সিলর মকবুল হোসেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক উপ-সম্পাদক আপন দাস, শ্রমিকলীগ নেতা আবুল কাশেম, টংগিবাড়ী উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পরিতোষ ঘোষ, বাগমামুদালিপাড়া শীতলা মন্দিরের সভাপতি ভীম সেন আরো অনেকে।
উদ্বোধনের পর বের হয় বর্ণাঢ্য রথযাত্রা।

রথের সাথে ঢোলক ও মঙ্গলশাঁখ বাজিয়ে ভক্তরা রথযাত্রায় অংশ নেন। জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ব্যানারে রথযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। ভক্তিমূলক সঙ্গীত আর বাদ্যবাজনার সঙ্গে নেচেগেয়ে নারী-পুরুষ সবাই রথযাত্রায় অংশ নেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তি শোভা পায় এই রথযাত্রায়। শোভাযাত্রা থেকে দর্শনার্থী ও পূণ্যার্থীদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের প্রসাদ ছুঁড়ে দেয়া হয়। শোভাযাত্রায় পায়ে হেঁটে অংশ নেয়া ছাড়াও হাজার হাজার মানুষ সড়কে দাঁড়িয়ে এতে একাত্মতা প্রকাশ করেন। রথযাত্রা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় জয়কালীমাতা মন্দিরে গিয়ে শেষ হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ :