রবিবার , ২৬ জানুয়ারি ২০২৫ | ২০শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আরো
  7. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  8. কলাম
  9. কৃষি
  10. খুলনা বিভাগ
  11. খেলাধুলা
  12. গণমাধ্যম
  13. চট্টগ্রাম বিভাগ
  14. জাতীয়
  15. ঢাকা বিভাগ

মুক্ত বন্দিদের বীর হিসেবে স্বাগত জানাল ফিলিস্তিনিরা, হামাসের প্রশংসা

প্রতিবেদক
সভ্যতার আলো ডেস্ক
জানুয়ারি ২৬, ২০২৫ ১:৩৪ পূর্বাহ্ণ

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতির চুক্তির অংশ হিসেবে দ্বিতীয় দফায় চার ইসরায়েলি নারী জিম্মির বিনিময়ে মুক্তি পাওয়া ২০০ ফিলিস্তিনিকে বীর হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিনিরা।

শনিবার ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া বন্দিরা নিজ নিজ এলাকায় ফেরার পর উল্লাসে ফেটে পরে স্থানীয় ফিলিস্তিনিরা। হাজার হাজার ফিলিস্তিনি হামাসের প্রশংসা করে শ্লোগান দেয়। তারা মুক্ত বন্দিদের ‘বীর’ ও ‘মুক্তিযোদ্ধা’ বলে অভিহিত করে।

ইসরায়েল অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লায় উদ্বেলিত জনতা মুক্ত বন্দিদের বাসের অপেক্ষায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেন। পরে মুক্ত বন্দিরা বাসযোগে এসে নামতে শুরু করলে জনতা বাঁধ ভাঙা উল্লাসে মেতে ওঠে। তারা মুক্ত অনেক বন্দিকে তাদের কাঁধে নিয়ে আনন্দ করে।
রয়টার্স জানায়, আনন্দরত ফিলিস্তিনিরা ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ায়। তাদের মধ্যে কেউ কেউ হামাস, হামাসের মিত্র ইসলামিক জিহাদ এবং ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের ফাতাহ আন্দোলনের পতাকাও ওড়ায়।

মুক্ত বন্দিদের বেশিরভাগকে পশ্চিম তীরে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বাকিদের মধ্যে ১৬ জন ছিলেন গাজার। তারা গাজায় ফেরার পর ছিটমহলটির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসে নিয়ে যাওয়া হয় তাদের। খান ইউনিসের গাজা ইউরোপিয়ান হাসপাতালে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়।
এ সময় তাদের স্বাগত জানাতে সেখানে কয়েক হাজার ফিলিস্তিনি জড়ো হয়। তারা ‘আল্লাহু আকবর’ বলে চিৎকার করে ও হামাসের সশস্ত্র শাখা কাসাম বিগ্রেডের নামে জয়ধ্বনি দেয়।

ইখলাস বালুশা নামে গাজার এক নারী জানান, গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ, দুর্ভোগ, অনাহার ও গণহত্যার অভিজ্ঞতা হলেও ভাইয়ের মুক্তি তাদের জন্য সুখ বয়ে এনেছে।

রয়টার্সকে তিনি বলেন, “সম্মান, আনন্দ, বেদনা সত্ত্বেও বিজয়ের অনুভূতি- একটি মুহূর্ত যখন আপনি শহীদ হয়ে যেতে পারতেন, কিন্তু প্রশংসা আল্লার, যিনি বিশ্বজগতের মালিক, যিনি আমাদের তাকে দেখার অনুমতি দিয়েছেন।”

হামাসের প্রকাশিত তালিকা থেকে জানা গেছে, শনিবার যে ২০০ জন ফিলিস্তিনি মুক্তি পেয়েছেন তাদের মধ্যে যোদ্ধাও আছেন। বহু মানুষেকে হত্যার দায়ে তাদের কারও কারও আজীবন কারাদণ্ডও হয়েছিল।

ইসরায়েল যাদের সবচেয়ে বিপজ্জনক বলে বিবেচনা করেছে তাদের মিশরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে থেকে তাদের তৃতীয় কোনো দেশে নির্বাসনে পাঠানো হবে।

ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রায় ৭০ জনকে মিশরে নিয়ে যাওয়া হবে, সেখান থেকে তাদের তুরস্ক, কাতার অথবা আলজেরিয়ার নির্বাসনে পাঠানো হতে পারে।

সর্বশেষ - মুন্সীগঞ্জ