এবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন সাফজয়ী নারী ফুটবলার আঁখি
নিজস্ব প্রতিবেদক
আলোচিত নারী ফুটবল খেলোয়াড় আঁখি খাতুনের খেলা দেখতে ৪ বছর আগে চীন থেকে দেশে ফিরেছিলেন চীনের এইজ জি এ টেনিস ক্লাবের কোচ শরিফুল ইসলাম টিংকু। খেলা দেখতে এসে মাঠে পরিচয় হয় আঁখির সঙ্গে। ভালোলাগা থেকে শুরু হয় দুজনের প্রেম। অবশেষে প্রিয় মানুষকে জীবন সঙ্গী করতেই বিয়ের পীড়িতে বসলেন খেলোয়াড় আঁখি খাতুন।
রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে এভাবেই কথাগুলো বললেন আঁখির বাবা আক্তার হোসেন। তিনি জানান, দুজনের পছন্দের পরই গত শুক্রবার দুই পরিবারের সম্পতিতে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে দ্বাবাড়িয়া এলাকায় আঁখি খাতুনের পিত্রালয়ে বিয়ের শুভ কাজটি সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর থেকে আঁখি ও তার স্বামী শাহজাদপুরে আমার বাড়িতে অবস্থান করছে। বর ও কনেকে এক নজর দেখতে আঁখি খাতুনের বাড়িতে ভিড় করছেন স্থানীয়রা।
আক্তার হোসেন আরও বলেন, আগামী ১১ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি তারা দুজন ঢাকায় যাবে। সেখান থেকে চীনে যাওয়ার কথা আছে। দাম্পত্য জীবনে সুখ শান্তির জন্য আমি তাদের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাই।
জানা যায়, আঁখির স্বামী মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম টিংকু বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাবেক ছাত্র। তার বাড়ি রাজশাহীর রাজপাড়া এলাকায়। তিনি বর্তমানে চীনের এইজ জি এ টেনিস ক্লাবে কোচ হিসেবে কর্মরত। আর আঁখি খেলছেন চায়নার স্ককর ওয়ার্ড ক্লাবে। আঁখি খাতুন ২০১৭ সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপের দলে সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ভুটানের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে বাংলাদেশের জয়ের সেসময় তিনি দুটি গোল করেন এবং টুর্নামেন্ট জুড়ে অসাধারণ অবদানের জন্য সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে টেলিভিশনের পর্দায় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের রক্ষণভাগের খেলোয়াড় আঁখি খাতুনের খেলা দেখে ভালো লেগে যায় চীনের লন টেনিস কোচ শরিফুল ইসলামের। ২০২১ সালে মাঠে বসে আঁখির খেলা দেখতে চীন থেকে দেশে আসেন তিনি। এক পর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের যোগাযোগ চলতে থাকে। ধীরে ধীরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে উভয়ের মধ্যে। দুজনই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিবারকে জানান। পরিবারের সম্মতিতে ৪ বছর পর বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন তারা।