রবিবার , ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ২১শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আরো
  7. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  8. কলাম
  9. কৃষি
  10. খুলনা বিভাগ
  11. খেলাধুলা
  12. গণমাধ্যম
  13. চট্টগ্রাম বিভাগ
  14. জাতীয়
  15. ঢাকা বিভাগ

মুন্সীগঞ্জে পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণ, আরও এক ধর্ষক গ্রেপ্তার, দুই আসামীর আদালতে স্বীকারোক্তি

প্রতিবেদক
সভ্যতার আলো ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৫ ৮:২৩ অপরাহ্ণ

 

 

স্টাফ রিপোর্টার:  মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বালুচরে এক নারী পোশাক শ্রমিককে (২৯) গণধর্ষণের ঘটনায় মো. বাবুল (৩৩) নামের আরও এক ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রযুক্তি ব্যবহার করে শনিবার দিবাগত রাত সোয়া ২টায় নারায়ণগঞ্জ শহরের ফতুল্লার মাসদাইর থেকে পাকড়াও করা হয়। এ নিয়ে ধর্ষণ মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে দুই জনকে গ্রেফতার হলো। গ্রেফতারকৃত দুই আসামী আদালত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। মামলাটির ৪ নম্বর আসামি গ্রেপ্তারকৃত  মো. বাবুল সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের চর চসুমদ্দিন গ্রামের বাসিন্দা।  রবিবার সে  মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি জবানবন্দি দিয়েছে। আর শুক্রবার গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামী নুরু শনিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। দুই আসামিকেই কারাগারে পাঠানো হয়েছে।    গত ৬ ফেব্রুয়ারি ধর্ষণের ঘটনায় ২১ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১০ টায় ভুক্তভোগী শ্রমিক সিরাজদিখান থানায় মামলা করেন।

পালাক্রমে ধর্ষণের অপরাধে ৯(৩) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০( সংশোধিত ২০২০) ধারায় মামলাটি হয়। ওই দিন শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে মামলার প্রধান আসামি নুরুল ইসলাম নুরুকে (৩৫) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর মোল্লাবাজার এলাকা থেকে নুরুকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে চর চসমদ্দিন গ্রামের বাসিন্দা।  সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, গত ০৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ থেকে মোল্লাবাজার সিএনজি স্ট্যান্ডের স্বামীর উদ্দেশ্যে ইজিবাইকযোগে আসছিলেন ভুক্তভোগী। রাত পৌণে ৭টার দিকে সিরাজদিখান উপজেলার শ্যামল ছাযা প্রজেক্টের সামনে রাস্তায় চর চসমুদ্দিন গ্রামের মো. রহিম (৩২) ও একই গ্রামের আরিফ সরকার (৩০) ইজিবাইক থামিয়ে পথরোধ করে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চালককে তাড়িয়ে দেয়। পরে এই  দুই যুবক নারী শ্রমিককে জোরপূর্বক প্রজেক্টের ভেতরে মোল্লাকান্দির

নির্জন নদীর পাড়ে নিয়ে গেলে চক্রের অন্য সদস্যরা উপস্থিত হয়।  নুরুল ইসলাম নুরু, মো. রহিম, আরিফ সরকার, মো. বাবুল ও মো. সোলেমান রাত ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত চার ঘন্টা পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষকরা ভুক্তভোগীকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে রাস্তায় এনে চলমান একটি অটোতে তুলে দেয়। পরে এই শ্রমিক সিরাজদিখান তার বোনের বাসায় গিয়ে আশ্রয় নেয় এবং স্বজনদের ঘটনা জানায়।  মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা সিরাজদিখান থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) হাবিবুর রহমান

জানান,  এই নারী নারায়ণগঞ্জের সিসিকের একটা পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তারা সিরাজিদখানে বসবাস করেন। সেখান থেকেই স্বামীর পাঠানোর অটোরিকশায় করে স্বামীর কাছে যাচ্ছিলেন।   গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম নুরু মুন্সীগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রট  দুরদানা রহমানের  আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। ভুক্তভোগী নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয় এবং এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় আলামত জব্দ করা হয়। বাকি তিন আসামীকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

সর্বশেষ - মুন্সীগঞ্জ