মোঃ নুরুল ইসলাম
গত ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণহত্যার বিচার, বিভিন্ন বিষয়ের সংস্কার ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে হবে বলে দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ জামায়েতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ‘অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে আমাদের চাওয়া ৩টি। সংস্কার, স্থানীয় সরকার নির্বাচন, তারপর জাতীয় নির্বাচন। আমরা চাই না ক্ষমতায় গিয়ে নিজেদের লোকদের লুটপাটের জন্য স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি বসাতে। সংস্কার করে দ্রুত স্থানীয় নির্বাচনের পর জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের দাবী তাদের।’
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে দীর্ঘ ২২ বছর পর রাজবাড়ী শহরের ঐতিহ্যবাহী বীরমুক্তিযোদ্ধা শহীদ আব্দুল আজিজ খুশি রেলওয়ে মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজবাড়ী জেলা শাখার কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজবাড়ী জেলা শাখার আমির অ্যাডভোকেট মোঃ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল, ফরিদপুর অঞ্চল পরিচালক ও সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) এ.এইচ.এম হামিদুর রহমান আজাদ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, রাজবাড়ী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোঃ আলিমুজ্জামান, কেন্দ্রীয় মসলিসে শূরা সদস্য জামাল উদ্দীন, নায়েবে আমির হাসমত আলী হাওলাদারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এদিন সকাল থেকেই জেলার ৫টি উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা মিছিলসহ রেলওয়ে মাঠে জড়ো হন। সকাল ৯টা থেকে শুরু হয় সম্মেলন।
অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘ স্বৈরাচার শেখ হাসিনা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের জেলে রেখে ও পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। ৫ আগস্টে পরিবার পরিজন নিয়ে পালিয়ে গিয়ে ভারতে বসে দেশের মধ্যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। একের পর এক ক্যু করে অন্তবর্তীকালীন সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছে। জামায়াতে ইসলামী তার সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে মাঠে আছে এবং থাকবে ইনশাআল্লাহ। দেশে লুটপাট করছে কারা, জামায়াতে ইসলামী কোনো লুটপাট, দখলদারীর সঙ্গে জড়িত নাই। আবার স্থানীয় নির্বাচনের আগে জাতীয় নির্বাচন দিলে স্বৈরাচারের মন্ত্রী-এমপিদের মতো বেগমপাড়ার সৃষ্টি হবে। এ কারণে আল্লাহর আইন মেনে আমরা দেশ পরিচালনা করতে চাই। আমাদের সকল নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি চাই।